সুন্দরবনে “যশ” মোকাবিলায় তৎপর রাজ্য প্রশাসন
আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক: বাঁচানোর প্রয়াস সুন্দরবনকে। এ বিষয়ে বিশেষ পুলিশ বাহিনী গড়েছে রাজ্য। সুন্দরবনে “যশ” মোকাবিলায় তৎপর রাজ্য প্রশাসন। আবহাওয়া দফতর সূত্রের খবর,এগিয়ে আসতে চলেছে ঘূর্ণিঝড় “যশ” । মঙ্গলবারের মধ্যে এই ঝড় ওড়িশা-পশ্চিমবঙ্গ উপকূলের কাছাকাছি চলে আসবে। বুধবার নাগাদ প্রবেশ করবে স্থলভূমিতে। ঘূর্ণিঝড়ের প্রকোপ উপকূলীয় জেলাগুলিতে পড়বে। তার জেরে বৃষ্টি শুরু হবে। এই আবহাওয়া ছড়িয়ে পড়বে অন্যান্য জেলাগুলিতেও। ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাতের আশঙ্কাও থাকছে।
আবহাওয়াবিদরা বলছেন,এই ঘূর্ণিঝড়ে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকছে সুন্দরবনের । এক্ষেত্রে সুন্দরবন কোস্টাল থানা ও গোসাবা থানার অধীনস্ত সুন্দরবনের দ্বীপগুলিকে আলাদাভাবে গুরুত্ব দিতে চলেছে রাজ্য । ৫ দ্বীপের জন্য বিশেষ পুলিশ বাহিনী গঠন করে তৎপরতা চলেছে।
স্থানীয় সূত্রের খবর, সুন্দরবন উপকূল সমূহে বিশেষ দলের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে গাছ কাটার যন্ত্র, টর্চ, জরুরি ওষুধ ও স্যাটেলাইট ফোন সহ বেশ কিছু সরঞ্জাম । সুন্দরবন কোস্টাল থানা, গোসাবা থানা, ঝড়খালি থানা ও মৈপীঠ থানার অফিসার ও কর্মীদের এই সংক্রান্ত বিষয়ে প্রয়োজনীয় ট্রেনিংও দেওয়া হয়েছে।
আবহাওয়া দফতর সূত্রে আরও জানানো হয়েছে,প্রাথমিক ভাবে আশঙ্কা করা হয়েছে ঘূর্ণিঝড়”যশ” দুই ২৪ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুরে বেশি প্রভাব ফেলবে। ওই সব জেলায় আগাম বিশেষ প্রস্তুতি চলছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বৈঠকও চলেছে। দুর্বল নদীবাঁধগুলি জরুরি ভিত্তিতে মেরামতি চলছে। তৈরি রাখা হয়েছে সাইক্লোন সেন্টার ও স্কুলগুলিকে ।
প্রশাসনিক সূত্রের খবর,গোসাবা ব্লকে ১৯টি ফ্লাড সেন্টার ও ১৮টি স্কুলকে আশ্রয় শিবির হিসেবে স্যানিটাইজ় করা হয়েছে। যাবতীয় ফসল জমি থেকে তুলে নিতে বলা হয়েছে কৃষকদের। এনডিআরএফের দল সাগর, কাকদ্বীপ, বাসন্তী, গোসাবা ও ডায়মন্ড হারবারে কাজ শুরু করেছে।এছাড়া বিভিন্ন দ্বীপ ও সুন্দরবন উপকূল এলাকায় বৈদ্যুতিক খুঁটি, ট্রান্সফর্মার, জলের পাউচ ও ওয়াটার ভেন্ডিং মেশিন প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলে খবর।

